February 2018


ভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের দেশপ্রেম অন্যান্য যেকোনো বলিউড অভিনেত্রীর থেকে বেশি তার প্রমাণ মিলল তারই করা এক মন্তব্যের মাধ্যমে।

এই বলি সুন্দরী বলেছেন, আমার বয়ফ্রেডকে অবশ্যই দেশপ্রেমিক হতে হবে। এখানেই তিনি থেমে থাকেননি। কঙ্গনা এও জানিয়েছেন, তার বয়ফ্রেন্ডের মধ্যে যদি যথেষ্ট পরিমাণ দেশপ্রেম না থাকে, তাহলে তিনি তার সঙ্গ ত্যাগ করবেন।

নিজের ব্যক্তি জীবন নিয়ে বলিউড অভিনেত্রী বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত একটি চ্যাটে এমনটিই জানিয়েছেন, নিজের প্রেমিক সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি অকপটে এ কথা বলেন। এই বলি সুন্দরীর মতে, বয়ফ্রেন্ড যদি দেশকে শ্রদ্ধা না করেন, তাহলে সেই মানুষকে তার কাছে কোনো মূল্য নেই।

এখন কঙ্গনা ভক্তদের মনে একটা প্রশ্নই শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে, এমন মানুষের সন্ধান পেয়ে গেছেন কি কঙ্গনা? কারণ, বেশ কয়েকদিন আগেই এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা রানাউত বলেন, আগামী বছর ফেব্রুয়ারির মধ্যেই বিয়ে করতে পারেন তিনি।

রের মাঠে লঙ্কানদের বিপক্ষে সাকিব আল হাসানকে ছাড়াই খেলেছে বাংলাদেশ। এবার শ্রীলঙ্কায় অনুষ্ঠিতব্য ত্রিদেশীয় নিদাহাস ট্রফিতেও তাকে না পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এই অলরাউন্ডারকে যে পরামর্শ দিয়েছেন, তাতে প্রশ্নটা উঠছেই। 

তাঁদের দেওয়া ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী ৬ মার্চ থেকে কলম্বোয় অনুষ্ঠেয় ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের পুরোটাই সাকিবের মিস করার আশঙ্কা রয়েছে।এমনকি ৪ মার্চ দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কায় যেতে পারবেন কি না, তা নিয়েও সংশয়। 

গতকালই বাঁ হাতে চোটগ্রস্ত কনিষ্ঠাঙ্গুল থাইল্যান্ডের অস্থি বিশেষজ্ঞদের দেখিয়েছেন বাংলাদেশের টেস্ট আর টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক। তাঁরা আজ থেকেই ফিজিওথেরাপি শুরু করতে বলে দিয়েছেন। সেটি শুরু করে আজই দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে সাকিবের। 

দেশে ফিরেও চালিয়ে যেতে হবে ফিজিওথেরাপি। পরবর্তী মূল্যায়নের আগে অন্তত এক সপ্তাহ ফিজিওথেরাপি নিতে হবে বলেই দলের সঙ্গে যাওয়া আপাতত অনিশ্চিত।

যদিও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান নিদাহাস ট্রফির প্রথম দুই ম্যাচ মিস করতে পারেন বললেও এখন পুরো টুর্নামেন্ট খেলাও অনিশ্চিত করে দিয়েছে থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ। সেটি জেনেছেন বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরীও।

দেবাশীষ চৌধুরী জানান, ‘সাকিবের খবর হচ্ছে কাল (আজ) সকালে ফিজিওথেরাপি করবে। একটি সেশন করেই ও দেশে ফিরে আসবে। দেশে ফিরেও ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যেতে বলেছেন ওখানকার বিশেষজ্ঞরা। ’কিন্তু কত দিন? 

দেবাশীষের জবাব, ‘ওনারা বলেছেন ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যেতে। যদি সপ্তাহখানেক ফিজিওথেরাপি করার পরও দেখা যায় কোনো উন্নতি হচ্ছে না, সে ক্ষেত্রে একটি সিদ্ধান্তে যেতে হবে। আর কী করা যায়? যদি দেখা যায় উন্নতি হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিই চালিয়ে যেতে বলেছেন ওখানকার বিশেষজ্ঞরা। ’ 

এখানেই সাকিবের নিদাহাস ট্রফিতে খেলা অনিশ্চিত হয়ে যাচ্ছে আরো। কারণ বিশেষজ্ঞদের পরামর্শের বাইরে যাওয়ার ঝুঁকি নিশ্চয়ই নেওয়া হবে না। দেবাশীষও বলেছেন, ‘আপাতত ফিজিওথেরাপি চালিয়ে যাওয়ারই পরিকল্পনা। সপ্তাহখানেক চালিয়ে যাওয়ার পর উন্নতি হলেও সেটিই চালিয়ে যাব আমরা। ’

ফিজিওথেরাপির প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে না হতেই ৮ মার্চ নিদাহাস ট্রফিতে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ। পরবর্তী পর্যবেক্ষণের পর অন্য কোনো ব্যবস্থায় যেতে হলেও কিংবা উন্নতি হলে ফিজিওথেরাপি চালিয়ে গেলেও চিকিৎসার মধ্যেই থাকতে হবে সাকিবকে।

 সে ক্ষেত্রে চিকিৎসা চলার মধ্যে নিশ্চয়ই মাঠে নেমে পড়ার ঝুঁকি সাকিবও নেবেন না। তা ছাড়া এমন চোটের পর কোনো ধরনের ম্যাচ প্রস্তুতি ছাড়া নেমে পড়াও কতটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে, প্রশ্ন আছে তা নিয়েও।

দেবাশীষ অবশ্য সাকিবের খেলা না খেলার ব্যাপারটি ছেড়ে দিচ্ছেন সময়ের হাতে, ‘এক সপ্তাহ পর যদি ভালো অনুভব করে, তাহলে হয়তো চেষ্টা করতেও পারে। 

আসলে পুরো ব্যাপারটিই নির্ভর করছে সাকিবের ওপর। যদি দেখা যায় ভালো হয়ে গেল বা আঙুলের ফোলা কমে গেল। আবার এ রকমও তো হতে পারে যে কিছুদিন ব্যাটিং না করে সে আত্মবিশ্বাস পাচ্ছে না। এই মুহূর্তে বলা কঠিন। আমরা মেডিক্যাল গাইডলাইন অনুসরণ করে যাব। সময়ই বলে দেবে। ’

ব্যাপারটি যেহেতু এখন সময়ের হাতেই ছেড়ে দেওয়া, তখন নিশ্চিত করে বলারও কিছু নেই। এর পরও সাকিব দলের সঙ্গে কলম্বোয় যাবেন কি না,

 সে সিদ্ধান্ত দেবে বিসিবির শীর্ষমহল, ‘ওকে আসতে বলা হয়েছে সব কিছু বুঝে নেওয়ার জন্য। যতটুকু জানতে পেরেছি, এই ফিজিওথেরাপি বাংলাদেশেও করা যাবে। এমনও তো হতে পারে যে শ্রীলঙ্কায়ও সেটি করা সম্ভব। 

এখন দলের সঙ্গে সে যাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেবেন বিসিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ’ চোট পাওয়ার পর বিসিবির দেওয়া প্রথম সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অবশ্য বলা হয়েছিল, সাকিব শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্ট মিস করবেন।

 পরে পুরো টেস্ট সিরিজ তো বটেই, তাঁকে রেখে দল ঘোষণার পর খেলতে পারেননি টি-টোয়েন্টি সিরিজেও। নিদাহাস ট্রফিতেও তাই হওয়ার শঙ্কা জাগিয়ে রেখেছে থাইল্যান্ডের বিশেষজ্ঞদের পর্যবেক্ষণ!

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বর্তমানে কারাগারে অবস্থান করছেন। তার জামিনের পক্ষে-বিপক্ষে চলছে নানা বিতর্ক। তবে এরই মধ্যে রাজধানীর বিভিন্ন দেয়ালজুড়ে খালেদা জিয়ার নামে একটি পোস্টার ছড়িয়ে পড়েছে।

‘এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই’ লিখে কে বা কারা এই পোস্টার প্রচার করছেন, তা অবশ্য উল্লেখ নেই।

তবে পোস্টারজুড়ে পাঁচ ভাগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির নানা তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রথম ভাগে লেখা হয়েছে, অর্থ গ্রহণ: ১৯৯১ সালে ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এতিমদের অনুদানের চার কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা গ্রহণ করেন।

দ্বিতীয় ভাগে লেখা, অ্যাকাউন্টবিষয়ক তথ্য: ব্যাংকের নাম সোনালী ব্যাংক রমনা শাখা। তহবিলের নাম এতিম তহবিল। অ্যাকাউন্ট নম্বর চলতি হিসাব নম্বর ৫৪১৬।

তৃতীয় ভাগে লেখা, এতিম তহবিলের অনিয়ম: প্রাপ্ত টাকা এতিমদের জন্য খরচ না করে তারেক, কোকো এবং মমিনুরের সমন্বয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করে, যার বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই।

চতুর্থ ভাগে লেখা, মামলার বিবরণ: এজাহার দায়ের- ৩ জুলাই ২০০৮, চার্জশিট দাখিল- ৫ আগস্ট ২০০৯, সময়ক্ষেপণ- আসামি বারবার উচ্চ আদালতে বিভিন্ন অজুহাতে আপিল করে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত ও সময়ক্ষেপণ করে।

পঞ্চম ভাগে লেখা, এতিমখানার অস্তিত্ব নেই: উক্ত টাকায় তারেক, কোকো ও মমিনুর-এর নামে বগুড়ায় ২.৭৯ একর জমি ক্রয় করা হয়। উক্ত জমি তা আজ পর্যন্ত কোনো এতিমখানা তৈরি করা হয়নি। এছাড়া অদ্যাবধি দেশের কোনো এতিমখানায় উক্ত অর্থের কিঞ্চিৎ পরিমাণও খরচ করা হয়নি। সূত্র: যুগান্তর

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget