‘এতিমের টাকা আত্মসাৎকারী খালেদা জিয়ার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই’ লিখে কে বা কারা এই পোস্টার প্রচার করছেন, তা অবশ্য উল্লেখ নেই।
তবে পোস্টারজুড়ে পাঁচ ভাগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির নানা তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথম ভাগে লেখা হয়েছে, অর্থ গ্রহণ: ১৯৯১ সালে ইউনাইটেড সৌদি কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এতিমদের অনুদানের চার কোটি ৪৪ লাখ ৮১ হাজার ২১৬ টাকা গ্রহণ করেন।
দ্বিতীয় ভাগে লেখা, অ্যাকাউন্টবিষয়ক তথ্য: ব্যাংকের নাম সোনালী ব্যাংক রমনা শাখা। তহবিলের নাম এতিম তহবিল। অ্যাকাউন্ট নম্বর চলতি হিসাব নম্বর ৫৪১৬।
তৃতীয় ভাগে লেখা, এতিম তহবিলের অনিয়ম: প্রাপ্ত টাকা এতিমদের জন্য খরচ না করে তারেক, কোকো এবং মমিনুরের সমন্বয়ে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করে, যার বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই।
চতুর্থ ভাগে লেখা, মামলার বিবরণ: এজাহার দায়ের- ৩ জুলাই ২০০৮, চার্জশিট দাখিল- ৫ আগস্ট ২০০৯, সময়ক্ষেপণ- আসামি বারবার উচ্চ আদালতে বিভিন্ন অজুহাতে আপিল করে মামলার কার্যক্রম ব্যাহত ও সময়ক্ষেপণ করে।
পঞ্চম ভাগে লেখা, এতিমখানার অস্তিত্ব নেই: উক্ত টাকায় তারেক, কোকো ও মমিনুর-এর নামে বগুড়ায় ২.৭৯ একর জমি ক্রয় করা হয়। উক্ত জমি তা আজ পর্যন্ত কোনো এতিমখানা তৈরি করা হয়নি। এছাড়া অদ্যাবধি দেশের কোনো এতিমখানায় উক্ত অর্থের কিঞ্চিৎ পরিমাণও খরচ করা হয়নি। সূত্র: যুগান্তর

Post a Comment