ধীরে ধীরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে এসব দাঙ্গা। আগুন দেয়া ও মুসলমানদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে সবচেয়ে বেশি হামলার ঘটনা ঘটেছে দেশের পূর্বাঞ্চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কারফিউ জারি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন পুলিশ মুখপাত্র রুওয়ান গুনাসেকারা। দাঙ্গায় পুলিশের নিষ্ক্রয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।
ক্যান্ডি শহরের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায় সেজন্য পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় রাখা হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে দুই ডজনেরও বেশি ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি যেসব পুলিশ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে নি তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে। শ্রীলঙ্কায় মোট জনসংখ্যার শতকরা ১০ ভাগ মুসলমান, ৭৫ ভাগ বৌদ্ধ এবং ১৩ ভাগ হিন্দু।

Post a Comment